Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বাংলাদেশকে নিয়ে বিশ্বব্যাপী এক সর্ব্বাত্মক গণপ্রতিরোধের ডাক

(আমীনুর রশীদ, লন্ডন। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬)

নীরবতার আর সুযোগ নেই।

বাংলাদেশে এক দীর্ঘ্য মেয়াদী বেপরোয়াভাবে সন্ত্রাসী ক্ষমতাচর্চা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান সেখানে ‘আওয়ামী লীগ’ নামে এক সন্ত্রাসী গ্রুপ ক্ষমতাসীন রয়েছে। এই গ্রুপটি ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত একটি ন্যাক্কারজনক এক সন্ত্রাসী গ্রুপ।

ধুর্ত প্রকৃতির ধুরন্ধর এ গ্রুপটির দ্বারা বাংলার সহজ সরল মানবগোষ্ঠী বারবার প্রতারিত হয়েছে এবং হচ্ছে।

১৯৭৫ সালে এক সামরিক ও বেসামরিক যৌথ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এ দুষ্ট পরাশক্তিকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করা হয়েছিল। সংশোধিত হওয়ার ভাণ ভণিতা করে জনগণকে প্রতারিত করে ১৯৯৬ সালে তারা বাংলার ক্ষমতা আবার দখল করে।

২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবর রাজধানী ঢাকায় লোমহর্ষক গণহত্যার মাধ্যমে বাংলার ক্ষমতারোহণের দিকে আবারো তাদের যাত্রা শুরু হয়।

২০০৯ সালে তারা পুর্ণাংভাবে আবারো বাংলার ক্ষমতা দখল করে। শুরু করে বিরোধী মতাবলম্বী বিশেষভাবে ইসলামপন্থীদের উপর বর্বর নির্যাতন। রাস্তায় সরাসরি গুলি, হাজতে হাত পা ভেংগে পংগু করা, বাসা বাড়িতে গিয়ে মহিলা শিশুদের উপর নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা ও গুম করা। মানিবেতিহাসে অপরাধের তালিকার কোন অপরাধ তারা বাদ দেয়নি।

নিছক প্রতিহিংসাবশত: তাদের হত্যা করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় বর্ষিয়ান জ্ঞানী গুণী ব্যাক্তিদের। দেশকে নেতৃত্বশুন্য করার সব আয়োজন তারা করে ফেলেছে।

কিন্ত তারা কজনকে আর ফাঁসি দিয়ে হত্যা করবে। আমরা লক্ষ লক্ষ্য তরুণ সেই পথে তৈরী হয়ে আছি। বয়স্কদের শুন্যস্থানে আজ তরুণরাই প্রতিরোধ আন্দোলনেই নেতৃত্ব দিবে।

যুদ্ধাপরাধের মিথ্যা ইস্যু তো শেষ হয়ে যাচ্ছে। তারা এও জানে যে এ ইস্যু দিয়ে তো আন্দোলন থামানো যাবে না। তাদেরকে এখন নিত্য নতুন ইস্যু খুঁজতে হবে আর তাতেই প্রমাণ হবে তারা একটা মিথ্যা ইস্যু তৈরী করেছিল শুধুমাত্র এসব গুণীজনদের হত্যা করার জন্য। আর ইতিহাসে এ ধরণের মিথ্যা অজুহাতে হত্যাকান্ড নতুন কিছু নয়। সেই প্লেটো সক্রেটিস আর এরিস্টটলরা এ ধরণের হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন।

তাই আসুন অন্তত:পক্ষে বৃটেনের মাটিতে আজ আমরা নিরবতা ভেংগে আবারো শপথ নিই। এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। আসন বৃটেনে সে সন্ত্রাসী গ্রপটির সহানুভুতিশীলদের তৎপরতা বন্ধে কর্মসূচী গ্রহণ করি। তাদের সহানুভূতিশীলদের চিহ্নিত করি। তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করি। যেখানে তাদের তৎপরতা সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলি। গণমাধ্যমের সামনে বিক্ষোভ করি। বিশ্ববাসীকে আমরা জানিয়ে এ সন্ত্রাসী গ্রুপটির তৎপরতার কথা। দে লক্ষ্যে আমাদেরক্র একটা জায়গায় একত্রিত হতে হবে। সন্ত্রাসী এ গ্রুপুটির পতন না হওয়া পর্যন্ত বৃটেনসহ বিশ্বব্যাপী অব্যাহতভাব্র প্রতিরোধ কর্মসূচী চালিয়ে যেতে হবে।

বাংলাদেশ্রে রাস্ট্রীয় সন্ত্রাস তথা সন্ত্রাসী ক্ষমতাচর্চার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী এ প্রতিরোধ আন্দোলনে সকল ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সর্ব্বাত্মক সহুযোগীতা, সমর্থন ও যথাসাধ্য ত্যাগ স্বীকার করার জন্য উদাত্ত আহবান রইল।