Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘গোলাপগঞ্জ হেল্পিং হ্যান্ডস ইউকে’র স্মরণীকা ২০১৭ সংখ্যায় ‘বীরাঙ্গনা আতরজান’ নামক গল্পে ইসলাম বিদ্বেষী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ

‘বীরাঙ্গনা আতরজান’ নামক কল্প কাহিনী মুলক গল্পে লেখক অতি সুকৌশলে মাদ্রাসার ছাত্র ও মসজিদের ইমামের নামে কল্প কাহিনী উপস্থাপন করে মসজিদ,মাদ্রাসা, ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও সর্বোপরী ইসলাম বিরোধী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন।

মানসিক বিকারগ্রস্ত অসুস্থ উদ্ভট গতানুগতিক নাস্তিক্যবাদী চিন্তা ধারায় প্রভাবিত তথাকথিত প্রগতিবাদী লেখকেরা- সমাজে স্কুল-কলেজে পড়ুয়া আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষের মাঝে হাজারো খারাপ ও লম্পট চরিত্র থাকা সত্ত্বেও মাদ্রাসার ছাত্র এবং মসজিদের ইমামের চরিত্রে কালিমা লেপন করে কাল্পনিক ও অনৈতিক গল্প কাহিনী বানাবেন কেন? সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ভাবে এটি করা হয়েছে। এখানে লেখকের হীন মানসিকতা ও চিরাচরিত নিয়মে ইসলাম বিদ্বেষী ষড়যন্ত্রই ফুটে উঠেছে।

ওরা সমাজকে কলুষিত করতে পারদর্শী। ভালো কিছু করার ক্ষমতা নেই। নিজের পিতামাতা মৃত্যু বরণ করলে জানাজার নামাজ পড়ানোর ক্ষমতা রাখে না,তখন কিন্তু মসজিদের হুজুরের কাছে যেতে হয়। আর. . . .
ঐ সব প্রগতিশীল! লেখকেরা মোনাফেকী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। যুগে যুগে মুনাফেকরা ইসলামী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে সুগভীরভাবে নানা কৌশলে কুৎসা রটনা করেছে। এখনো করছে। কিন্তু মুনাফেকরা ঠিকে থাকতে পারে নি। ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

অপরদিকে সম্পাদনা পরিষদ অদক্ষতা ও অযোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। তারা ব্যক্তিস্বার্থ ও ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার লক্ষ্যে কতটা বিভোর ছিলেন এখানে তা-ই প্রমাণিত হয়েছে।

এই স্মরণীকায় কোন গল্প প্রবন্ধ প্রকাশ করতে হলে তা অবশ্যই চ্যারিটির কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। যা পড়ে মানুষ আর্ত-মানবতার কল্যাণে অনুপ্রাণিত হয়। আমাদের গৌরবময় মুক্তিযু্দ্ধ বিষয়ক লেখাও হতে পারে; আপত্তি নেই; আরও অনেক শিক্ষনীয় বিষয়ে লেখা থাকতে পারত; কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের উপর গল্প প্রবন্ধ লিখতে গিয়ে মসজিদের ইমাম সাহেবের চরিত্র কলংকিত করে লিখতে হবে কেন?

এখানে লেখক নিজের অজান্তেই তার ব্যক্তিগত লাম্পট্য চরিত্রের প্রমাণ দিয়েছেন। অথবা লেখক নিজে কোন ‘বীরাঙ্গনা আতরজান’ এর সন্তান! এজন্য এত কষ্ট ও ক্রোধ তার মনের গহীনে। একাত্তরে যুদ্ধ ভিকটিম বিরাঙ্গনা আতরজানদের গর্ভে কমলার মত যুদ্ধ ভিকটিম অনেক শিশুর জন্ম হয়েছিল আমাদের দেশে। তাদের মনোবেদনায় আমরাও ব্যথিত।

সম্পাদনা পরিষদ লাম্পট্য কল্প কাহিনীটা সমর্থন করে তা স্মরণীকায় ছেপে তাদের নৈতিক চরিত্রের অধঃপতনের কথা জানান দিয়েছেন। এটা গোলাপগঞ্জ হেল্পিং হ্যান্ডস ইউকের অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে সুগভীর ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলেই প্রতীয়মান হয়।

নৈতিকতা বিবর্জিত অবাস্তব পিতা-মেয়ের অবৈধ প্রেম কাহিনী; পরবর্তীতে বিয়ের আয়োজন করা, নিজের মেয়ে হিসেবে পরিচয়। আবার পিতা একজন মসজিদের ইমাম। কী উদ্ভট বিকৃত মানসিকতা।

মুসলিম সমাজে একজন সম্মানিত ব্যক্তি হলেন মসজিদের ইমাম সাহেব। তারা সারা জীবন অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের চরিত্র নিয়ে লাম্পট্য কল্প কাহিনী রচনা করে কোন ধরনের মানবতার পক্ষে কাজ করা হলো?

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জবাব দিবেন কি?

নিম্নে নৈতিকতা বিবর্জিত গল্পের কিছু অংশ তুলে ধরলাম-

“মহেশপুর (মেহের পুর) মসজিদের তেলেসমাতী হুজুরের বেশ নাম ডাক। ……………………. একদিন আকবর চাচা অসুস্থ হলে কমলা পানি পড়া আনতে হুজুরের কাছে যায়। তখন থেকে তেলসমাতী হুজুরের নজর পড়ে কমলার উপর।………..
কিছু দিনের মধ্যে দু’জনের মধ্যে ভাল সখ্যতা গড়ে ওঠে। …….কমলার বয়স ১৭, আর হুজুরের ৪৫। একদিন হুজুর কমলাকে প্রেম নিবেদন করেন। ……….গ্রামের এক লোক দেখে ফেলে হুজুরের প্রেম নিবেদনের আকুল প্রার্থনার দৃশ্য। লোকটি চিৎকারে জড়ো হয় গ্রামবাসী। এবার বিচার হবে, মসজিদের ইমাম, তেলসমাতী হুজুরের বিচার হবে। গ্রামবাসী হুজুরকে বেঁধে রাখে মোড়ল আকবর আলীর বাড়িতে।…….. একজন বলে আহারে সেদিন মিলাদে কি কান্না করলেন হুজুর …..! মানুষ হুজুরের কান্না দেইখা হতবাক। মনে হইছে ফেরেশতারা আমাগো গুনার খাতা ছিড়ে ফেলবেন।…….হারামজাদা। তোমার চোখ তুলব। বলে লাথি মারে মজিদ। ….
আরেকজন বলে: ঘটনা ঘটাইছে হুজুর। হুজুর ওরে বিয়ে করা লাগবো।….শালিশে বিয়ে টিক হয় হুজুরের সাথে।……পরিচয় পর্বে কমলার আসল পরিচয় কমলা হুজুরের মেয়ে।………..
…..আজ অজান্তে নিজের সন্তানকে বিয়ে করতে বসেছে । এর থেকে বড় সাজা আর কি হতে পারে।”

বাতিল অপশক্তির বিরুদ্ধে শানিত হোক আমাদের কলম।
গল্পটির কপি দিলাম। একবার ভেবে দেখুন।

Mahmudul Hasan Kaher
London, UK
Iwskaher@yahoo.com
Facebook : kaher mahmudul hasan